বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি মাসে জ্বালানির মূল্য সমন্বয় করা হয় এবং এরই অংশ হিসেবেই সরকার বাধ্য হয়ে জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
সোমবার (১ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি একথা জানান।
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতি মাসেই জ্বালানির মূল্য সমন্বয় করা হয়। তবে মে মাসে কোনো সমন্বয় হয়নি, কারণ এপ্রিলেই একটি সমন্বয় করা হয়েছিল। এছাড়া, একান্ত উপায়হীন হলেই সরকার এ ধরনের অপ্রিয় সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয় বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দেশের জ্বালানি ব্যবহারের সবচেয়ে বড় অংশ ডিজেল, যার পেছনে সরকারকে সবচেয়ে বেশি ভর্তুকি দিতে হয়। এরপরও সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব কম রাখতে ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এলে আমরাও দ্রুত সমন্বয় করার চেষ্টা করবো। জনগণের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতা রয়েছে। মানুষের কষ্ট লাঘবে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত দ্রুত নেওয়া হবে।
বিদ্যুতের দাম প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি)। সরকার কমিশনের স্বাধীন ক্ষমতা পুনর্বহাল করেছে এবং বর্তমানে এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়িয়ে বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি কমানো হবে। এক্ষেত্রে গ্রাহকদেরও আমরা সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ দিতে পারব।
এছাড়া প্রতিমন্ত্রী জানান, ঈদের ছুটিতে বিদ্যুতের চাহিদা ৫ হাজার ৭০০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছিলো। তাই লোডশেডিংয়ের কারণ নেই। তবে ঝড়-বৃষ্টির দুর্যোগের কারণে সঞ্চালন লাইনের সমস্যায় কিছু জায়গায় লোডশেডিং করতে হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
নুরজাহান নুরী
কার্যালয়ঃ
আল-আমিন- ৮ সাদার পাড়া, উপশহর সিলেট ৩১০০
ফোন: +৮৮০১৭১৭৯৪৭২৯৭, +৮৮০১৭২৫১০৫৮২৫
sylhetdesk2000@gmail.com