সিলেট জেলা ট্রাক, পিকআপ, কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং র্যাব-৯ বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। স্মারকলিপিতে রোববার (৭জুন) ভোর ৬টা থেকে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সড়কে সব ধরনের পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রেখে কর্মবিরতি (ধর্মঘট) পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
স্মারকলিপিতে জানানো হয়, ২১ মে ধূপাগুলে নিজের ক্রাশার মিল বন্ধ করে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার পথে কোম্পানীগঞ্জের ধাগাইল ব্রিজের পাশে একদল সন্ত্রাসী ট্রাক চালক সমিতির সভাপতি মো. আবুল হোসেনের ওপর হামলা চালায়। মো. আলিউর রহমান ও মো. নাসির উদ্দিনের নির্দেশে একদল লোক দেশীয় অস্ত্র ও লাঠি দিয়ে আবুল হোসেনকে এলোপাথাড়ি মারপিট করে মারাত্মকভাবে জখম করে।
পরবর্তীতে আশপাশের লোকজন এসে তাকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে দীর্ঘ ৬ দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর ২৭ মে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
শ্রমিক নেতৃবৃন্দের অভিযোগ, এত বড় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পরও স্থানীয় প্রশাসন আসামিদের গ্রেফতারে কোনো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। উল্টো অভিযোগ উঠেছে, কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসামিদের গ্রেফতার না করে মূল অভিযুক্ত মো. নাসির উদ্দিনকে কানাডায় পালিয়ে যাওয়ার সমস্ত ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।
হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও আইনের আওতায় আনার দাবিতে স্থানীয় জনগণ ও ট্রাক শ্রমিকেরা ইতিমধ্যে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ৭ জুন ভোর ৬টা থেকে কোম্পানীগঞ্জ সড়কে সব ধরনের পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শ্রমিক ইউনিয়ন হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, এই সময়ের মধ্যে যদি আসামিদের গ্রেফতার করা না হয়, তবে পরবর্তীতে পুরো সিলেট বিভাগ জুড়ে সব ধরনের পণ্যবাহী পরিবহনে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ও তীব্র আন্দোলন ঘোষণা করা হবে।
স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেছেন সিলেট জেলা ট্রাক, পিকআপ, কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু সরকার এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুম আহমদ লস্কর।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ
নুরজাহান নুরী
কার্যালয়ঃ
আল-আমিন- ৮ সাদার পাড়া, উপশহর সিলেট ৩১০০
ফোন: +৮৮০১৭১৭৯৪৭২৯৭, +৮৮০১৭২৫১০৫৮২৫
sylhetdesk2000@gmail.com