মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন

স্ত্রীর সাথে পরকীয়া করায় বন্ধুকে কুপিয়ে খুন করে হাবিল

নিউজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত

 

সিলেট নগরীয় রায়নগর দপ্তরীপাড়া এলাকায় জুয়েল আহমদ (২৬) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় মো. হাবিল নামে (২৫) নামে আরেক যুবককে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। হাবিল ও জুয়েল পরষ্পরের বন্ধু। পরকীয়ার জেরে জুয়েলকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আটকের সময় স্থানীয়দের মারধরের শিকার হন হাবিল। তিনি বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। হাবিলের দাবি, তার স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের সমর্ক গড়ে তুলেন বন্ধু জুয়েল।

তবে হাবিলের এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে জুয়েলের পরিবার।

রোববার দুপুরে গোয়ালীছড়া খালে ফেলে ধারালো চাকু দিয়ে এলোপাথাড়ি ছুরিকঘাত করে হত্যা করা হয়।

নিহত যুবক জুয়েল ময়মনসিংহ জেলার গৌরিপুর থানার ভেরা ১০নং সিধলা ইউপি এলাকার আব্দুর রহিমের ছেলে। বর্তমানে সিলেট মহানগরীর কোতোয়ালী থানাধীন রায়নগর দপ্তরিপাড়ার সাকেরের কলোনীর বাসিন্দা। পেশায় তিনি গাড়ি চালক।

আটককৃত যুবক সিলেট মহানগরীর শাহপরাণ (রহ.) থানাধীন বালুচর মঈনুল মিয়ার বাসার মো. আলীর ছেলে মো. হাবিল।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হাবিল দাবি করেন, জুয়েল আমার স্ত্রীর সাথে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলে। বার বার নিষেধ করেও তাকে আটকানো যায়নি। আমার বউকেও বুঝিয়েছি। সেও কথা শুনেনি। তাই জুয়েলকে মেরে ফেলেছি।

পুলিশ জানায়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দুই বন্ধু প্রথমে মইন মাস্টারের কলোনীর সামনে মারামারি শুরু করে। একপর্যায়ে ধৃত হাবিল ভিকটিম জুয়েলকে টেনে পাশে থাকা গোয়ালীছড়ায় (খাল) ফেলে দেয়। নিচে ফেলে দিয়ে হাবিলের সাথে থাকা ধারালো সুইচ গেইয়ার চাকু দিয়ে গলা, পিঠ ও বুকে একাধিক বার আঘাত মারতে থাকে। ঘটনার একপর্যায়ে, আশেপাশের লোকজন মারামারি দেখতে পেরে ভিকটিম জুয়েলকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ধৃত হাবিলকে এক দফা মারধর করে স্থানীয়রা। পরে পুলিশ সংবাদ পেয়ে হাবিলকে জনগণের কাছ থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করে।

জুয়েলের বাবা জানান, জুয়েলকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (গণমাধ্যম) মো. মনজুরুল আলম জানান, এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s.