মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন

ছাতকের মুনিরগাঁতি-নোয়াগাঁও গ্রামের দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত-১৫

নিউজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত

 

ছাতকে দক্ষিণ খুরমা ইউনিয়নের মুনিরগাঁতি-নোয়াগাঁও গ্রামে দু’প’ক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

সোমবার (১ জুন) দুপুরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সং’ঘর্ষে গুরুতর আহত মুনিরগাঁতি-নোয়াগাঁও গ্রামের ৫ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় একটি সড়ক নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষে’র ঘটনা ঘটেছে। সড়কের চলমান নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় কয়েকজন সংবাদকর্মী ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। ওই সময় স্থানীয় লোকজনের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলাকালে

গ্রামের মৃত মনফর আলীর পুত্র কিরণ মিয়া এবং আমতর আলীর পুত্র লিয়াকত মিয়ার মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। দু’জনের কথা কাটাকাটির ঘটনা নিয়ে উভয় পক্ষের লোক জন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

সংঘর্ষে আহত হয়েছেন কিরণ মিয়া (৪০), কাওসার আহমদ (২৫), রহমত আলী, আহমদ আলী (২৮), মো.নুর আলী (৫৫), রুয়েল আহমদ (২০), আকরাম আলী (২২), লিয়াকত আলী (৪২), রফিক মিয়া (৩০), উকিল মিয়া (৩০), জুনেদ আহমেদ (৩২)। আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত ৫ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যান্য আহতদের কৈতক ২০ শয্যা হাসপাতাল সহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে সাবেক ইউপি সদস্য আখলু মিয়া বলেন, কয়েক জন সংবাদকর্মী রাস্তার কাজ পরিদর্শনে গেলে তার ভাই কিরণ মিয়া সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় লিয়াকত মিয়া তাকে গালিগালাজ করেন।

এ নিয়ে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। গ্রামের লিয়াকত আলী বলেন, ঠিকাদার সেবুল মিয়ার বিরুদ্ধে সড়ক নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ থাকায় সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে এসেছিলেন।
সে সময় কিরণ মিয়া তাদের কথাবার্তায় বাঁধা দেন এবং পরে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়।

ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি রপু মিয়া বলেন,“ঘটনার সময় আমি বাড়িতে ছিলাম না। কী কারণে ঘটনা ঘটেছে তা এখনো বিস্তারিত জানতে পারছিনা।

ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, সংঘর্ষের সংবাদ পেয়েছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s.