মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩০ অপরাহ্ন

ভারী বৃষ্টি অব্যাহত, কক্সবাজারে পাহাড়ধসে নিহত বেড়ে ১৯

নিউজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত

 

টানা কয়েকদিন ধরে কক্সবাজারে ভারী বর্ষণ হচ্ছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ও বাড়ির দেওয়াল ধসের ঘটনা ঘটেছে। পাহাড়ধসে এ পর্যন্ত স্থানীয় পাঁচজন ও ১৪ রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে।

পরিস্থিতি বিবেচনায় পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে তৎপরতা শুরু করেছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিস ইনতেসার নাফি বলেন, ‘টানা কয়েকদিন ধরে মুষলধারে এবং থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির তোড়ে অনেক স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটছে। কক্সবাজার শহরের কলাতলীর হাজীপাড়ায় বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে থাকা বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে দুপুরের পর থেকে বিশেষ উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করা হয়। ঝুঁকিতে থাকা লোকজনকে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার অনুরোধ করলেও অনেকে শুনতে চাচ্ছেন না। বুঝিয়ে ওনাদের সরানো হচ্ছে।’

তিনি আরও জানান, কক্সবাজারের অন্যান্য উপজেলাগুলোতেও পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে থাকা বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যেতে প্রশাসন ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মাইকিং করা হচ্ছে। যে কোনো দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার সব আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা মাঠে রয়েছেন। সঙ্গে রয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও স্বেচ্ছাসেবক দল।’

তিনি আরও জানান, কক্সবাজারের অন্যান্য উপজেলাগুলোতেও পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে থাকা বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যেতে প্রশাসন ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মাইকিং করা হচ্ছে। যে কোনো দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার সব আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয় ও রোহিঙ্গা মিলে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যুর খবর এসেছে। এ পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে সচেতনতার বিকল্প নেই। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনায় আমরা প্রস্তুত রয়েছি।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s.