মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন

জামিনে বের হয়ে বাদীপক্ষের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, আহত ৩

নিউজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত

 

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে আসামিপক্ষ বাদীপক্ষের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ঘরবাড়ি ও একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাও ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় নারী, শিশুসহ তিনজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন মামলার বাদী আব্দুল গফফার (৪০), তাঁর স্ত্রী মিলন বেগম (৩২) ও ছেলে বিশাল আহমদ (১২)। আব্দুল গফফারকে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ মার্চ উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল্লাহ খানের নামে বন্দোবস্তকৃত জমিতে গিয়ে চাঁদা দাবি করেন যুবদল নেতা নিজাম উদ্দিন। চাঁদা না পেয়ে নিজামের নেতৃত্বে বসতঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ১৭ মার্চ মুক্তিযোদ্ধার বড় ছেলে বাদী হয়ে জগন্নাথপুর থানা যুবদল নেতা নিজাম উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে ১৩ জনের নামে মামলা করেন।

মামলার পরদিন ১৮ মার্চ প্রধান আসামিকে এবং ৭ এপ্রিল মামলার ৩ নম্বর আসামি মজনু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের ২৮ দিন পর নিজাম ও ২২ দিন পর মজুন মিয়া জামিনে বের হয়ে আসেন। এরই মধ্যে ২ নম্বর আসামি সিহাব উদ্দিন ছাড়া বাকি আসামিরা আদালত থেকে জামিন নেন। মামলা দায়েরের পর থেকেই একাধিকবার বাদীপক্ষের ওপর হামলার চেষ্টা করে আসছিল আসামিপক্ষের লোকেরা। কারাগারে থাকা দুই আসামি জামিনে বের হয়ে আসায় সংঘবদ্ধভাবে এ হামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ বাদীপক্ষের।

বাদী আব্দুল গফফার অভিযোগ করে বলেন, ‘জামিনে বের হয়েই আসামিরা সংঘবদ্ধভাবে আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে এবং ভাঙচুর করেছে। এমনকি আমার জীবিকার একমাত্র সিএনজিটিও ভেঙে দিয়েছে।’

তবে আসামিপক্ষের এক সদস্য দাবি করেন, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।

এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ওপর আবারও হামলার সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি, পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Lorem Ipsum has been the industry's standard dummy text ever since the 1500s.